জাপানে সেকেন্ডে ৩২ কোটি মেগাবিটের ইন্টারনেট




মোটামুটি চলনসই গতির ইন্টারনেট পেলেই আমরা সন্তুষ্ট। নির্বিঘ্নে ওয়েব ব্রাউজ করা যাবে, ভিডিও চলার সময় আটকে যাবে না, যখন তখন গতি কমে যাবে না-মোটকথা দরকারের সময় কাজটা ঠিকঠাক করা গেলেইআমাদের অতশত অভিযোগ থাকত না। তবে জাপানের প্রকৌশলীরা তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। ইন্টারনেটের গতির গত বিশ্ব রেকর্ডের প্রায় দ্বিগুণ গতিতে পৌঁছেছেন তাঁরা।










      

The past world record for web association speed was 16 terabits each second. Furthermore a group of specialists from Japan's National Institute of Information and Communication Technology (NICT) arrived at 319 terabits each second. They have had the option to keep this speed from a separation of 1,065 miles, yet the speed has not changed.

ইন্টারনেট গতির হিসাব সচরাচর বিটে করা হয়, বাইটে নয়। এক টেরাবিট সমান ১০০০ গিগাবিট। আর এক হাজার মেগাবিটে এক গিগাবিট হয়। অর্থাৎ এক টেরাবিট সমান ১০ লাখ মেগাবিট। আর জাপানের প্রকৌশলীরা অর্জন করেছেন প্রতি সেকেন্ডে ৩১ কোটি ৯০ লাখ মেগাবিট গতি। এবার আপনার বাসার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের গতির সঙ্গে সেটি তুলনা করার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।উদ্ভাবনের জোরেই এমন উচ্চগতি অর্জন করেছেন ওই প্রকৌশলীরা। তাঁরা চার কোরের অপটিক্যাল ফাইবার কেব্‌ল ব্যবহার করেছেন। সঙ্গে ছিল ফাইবার অ্যাপ্লিফায়ার, যা লম্বা দূরত্বে ইন্টারনেট সংযোগের গতি বাড়ায়।


তা ছাড়া প্রকৌশলীদের দলটি প্রথমবারের মতো 'এস', 'সি' এবং 'এল' ব্যান্ডের সংকেত প্রেরণ (ট্রান্সমিশন) প্রযুক্তির একসঙ্গে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করেছেন। বেশি দূরত্বে সচরাচর সি ও এল ব্যান্ডের ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এবার এস ব্যান্ডও যুক্ত করা হয় তাতে। আশার কথা হলো, চার কোরের অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যমান যন্ত্রপাতির সঙ্গে ভালোভাবেই কাজ করে। এতে কাজটি সহজ হওয়ার পাশাপাশি খরচও কমে যাবে।


এনআইসিটির প্রকৌশলীরা অবশ্য সেখানেই ক্ষান্ত হননি। আরও বেশি গতি অর্জন করা সম্ভব বলে তাঁদের বিশ্বাস। পাশাপাশি সমুদ্রের দুপ্রান্ত যুক্ত করার মতো দীর্ঘ ট্রান্সমিশন প্রযুক্তির প্রয়োগ করতে চান তাঁরা।




                                Read News 

Post a Comment

Previous Post Next Post